তারেক রহমান পরিবারসহ দেশে আসছেন—এই খবরটা শুধু একটি আগমন সংবাদ নয়, এটা বহুদিনের জমে থাকা অনুভূতির দরজা খুলে দিয়েছে। যেন ঈদের চাঁদ দেখার আগেই দেশজুড়ে আলো জ্বলে উঠেছে। রাজনীতি ক্লান্ত, মানুষ ক্লান্ত, কিন্তু আশ্চর্যভাবে এই খবরে ক্লান্তির ভেতরেও একটা নীরব উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে। গলি থেকে গ্রাম, শহরের চায়ের দোকান থেকে প্রবাসীর ফোনালাপ—সবখানেই একটা কথাই ঘুরছে, অবশেষে ফিরছেন তিনি।
এই ফেরা অনেক অর্থ বহন করে। দীর্ঘ নির্বাসন, রাজনৈতিক টানাপোড়েন, পরিবার থেকে দূরে থাকা—সবকিছুর পর এই দেশে পা রাখা মানে শুধু ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়, এটা এক ধরনের মানসিক মুক্তি। যারা রাজনীতিকে ভালোবাসে, যারা কেবল স্থিতিশীল একটা দেশ চায়, তারাও এই মুহূর্তটাকে ঈদের আনন্দের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছে। ঈদ যেমন মানুষকে ঘরে ফেরায়, তেমনি এই ফেরা দেশকেও যেন নিজের কাছে ফিরিয়ে আনছে।
এখন প্রশ্ন একটাই—এই আনন্দ কি ক্ষণিক হবে, নাকি দীর্ঘস্থায়ী? ইতিহাস বলে, আমাদের আনন্দগুলো খুব দ্রুতই বিতর্কে, অবিশ্বাসে, সংঘাতে হারিয়ে যায়। কিন্তু এই মুহূর্তে মানুষ আর সংঘাত চায় না। তারা চায় স্বস্তি, চায় স্বাভাবিকতা, চায় এমন এক রাজনীতি যেখানে প্রতিহিংসা নয়, প্রজ্ঞা কথা বলবে। তারেক রহমানের এই আগমন যদি সেই প্রজ্ঞার দরজা খোলে, তাহলে এই ঈদের আনন্দ সত্যিই আলাদা হয়ে থাকবে।
আমাদের কামনা সেখানেই। এই আনন্দ যেন পোস্টারের মধ্যে আটকে না থাকে, স্লোগানে সীমাবদ্ধ না হয়। যেন এটা মানুষের জীবনে, রাজনীতির ভাষায়, রাষ্ট্রের আচরণে স্থায়ী ছাপ ফেলে। ঈদের আনন্দ যেমন কয়েকদিনের হলেও তার রেশ থাকে অনেকদিন, ঠিক তেমনি এই আগমনও যদি আশা, স্থিরতা আর সহনশীলতার রেশ রেখে যায়—তবেই বলা যাবে, দেশ সত্যিই ঈদের আনন্দে ভেসেছিল।
#bangladeshi #bangladesh🇧🇩 #বাংলা #BD #bangladesher #বাংলাদেশের #Bangladesh #bangla #bd #BangladeshPolitics #BNPBangladesh #BNPNEWS #bnpmediacell #bnp #BNP #BNPMediaCell
